
এল নিনোর প্রভাবে পানি কমার আশঙ্কা; সেপ্টেম্বর থেকে পানামা খালে জাহাজ চলাচলে নতুন সীমা
এল নিনোর প্রভাবে পানামা খালে পানির স্তর কমে যেতে পারে—এই আশঙ্কায় আগামী সেপ্টেম্বর থেকে খাল দিয়ে জাহাজ চলাচলে সীমা আরোপ করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। পানামা ক্যানাল অথরিটি বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, শুষ্ক আবহাওয়ার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে দৈনিক পারাপারের সর্বোচ্চ সংখ্যা বেঁধে দেয়া হবে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

এল নিনোর আশঙ্কায় ভেনেজুয়েলায় আরও বাড়তে পারে বিদ্যুৎ ও পানির সংকট
ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে ৬ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানির দুই মাসও পেরোয়নি। এই অবস্থার মধ্যেই ভেনেজুয়েলার সরকার এবার বিদ্যুৎ ও পানি বাঁচানোর আহ্বান জানিয়েছে। দেশটিতে খরার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় অনেকেই এটিকে আরও ব্যাপক লোডশেডিং এবং সুপেয় পানি সরবরাহে কাটছাঁটের অশনি সংকেত হিসেবে দেখছেন। গত কয়েক মাস ধরে দেশটি এমনিতেই তীব্র সংকটে ভুগছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চার দশকে ব্রাজিলের বনভূমি কমেছে ফ্রান্সের দ্বিগুণ; বাড়ছে ‘এল নিনো’র প্রভাব
গত চার দশকে ব্রাজিল ফ্রান্সের আয়তনের দ্বিগুণেরও বেশি প্রাকৃতিক বনাঞ্চল হারিয়েছে। এর ফলে ‘এল নিনো’-জনিত চরম আবহাওয়ার প্রভাব মোকাবিলায় দেশটি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। আজ (বুধবার, ১২ আগস্ট) প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। সিএনএ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

রেকর্ড শস্য মজুত, নতুন রপ্তানিকারক; এল নিনোর ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি
কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ‘সুপার’ এল নিনোর প্রভাব মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্ব খাদ্যব্যবস্থা। প্রায় রেকর্ড পরিমাণ শস্য মজুত, উন্নত প্রযুক্তি এবং ব্রাজিল ও রাশিয়ার মতো নতুন বড় রপ্তানিকারক দেশগুলোর উত্থানের ফলে অতীতের তুলনায় এবারের বিশ্ব খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা অনেক বেশি সহনশীল।

হিটওয়েভ-খরায় বিপর্যস্ত ইউরোপ, বাড়ছে তীব্র ক্ষুধার শঙ্কা
হিটওয়েভ ও খরার কবলে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। দানিউব নদীর পানির স্তর রেকর্ড পরিমাণ নেমে আসায় হাঙ্গেরি ও রোমানিয়ায় ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিষেবা। এছাড়া গম উৎপাদন ব্যাহত জার্মানি, চেক প্রজাতন্ত্র ও পোল্যান্ডে। এদিকে এল নিনোর প্রভাবে আগামী বছরের শেষ নাগাদ অতিরিক্ত ৪ কোটি ৯০ লাখ মানুষ তীব্র ক্ষুধার কবলে পড়বে বলে পূর্বাভাস বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির।

বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা, সতর্কবার্তা জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার
বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম আবার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরান ও ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এল নিনোর প্রভাব। এতে খাদ্য উৎপাদন খরচ বাড়ছে এবং ফসলের ফলন কমে যাচ্ছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এল নিনো ও হরমুজ সংকটে বাড়ছে বিশ্ববাজারের উদ্বেগ
অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির কবলে পড়তে পারে লাতিন আমেরিকার দেশগুলো। একদিকে হরমুজে অচলাবস্থা, অন্যদিকে এল নিনোর শঙ্কা— সব মিলিয়ে বৈশ্বিক কৃষিজাত পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় আসছে বড় সংকট। এর চেয়েও চাঞ্চল্যকর তথ্য, ইতিহাসের ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে এবারের এল নিনো।

প্রশান্ত মহাসাগরে ‘সুপার এল নিনো’; ইতিহাসের উষ্ণতম বছরের আশঙ্কা
প্রশান্ত মহাসাগরে 'এল নিনো' আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এবং আগামী মাসগুলোতে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১১ জুন) মার্কিন জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন (এনওএএ) আনুষ্ঠানিকভাবে এল নিনোর সূচনার কথা নিশ্চিত করেছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ধেয়ে আসছে ‘এল নিনো’; বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সতর্কবার্তা
ভয়ংকর রূপে ধেয়ে আসছে ‘এল নিনো’। এতে করে চলতি বছর বৈশ্বিক আবহাওয়া চরম পর্যায় পৌঁছাবে বলে সতর্ক করলো বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। অস্বাভাবিক তাপমাত্রা যেমন বাড়বে, তেমনি ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কাও তুলে ধরেছে সংস্থাটি। এটিকে জরুরি জলবায়ু সতর্কবার্তা হিসেবে বর্ণনা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

‘এল নিনো’র প্রভাবে তীব্র দাবদাহের শঙ্কা; বিশ্ববাসীকে সতর্ক করলো জাতিসংঘ
প্রশান্ত মহাসাগরের আবহাওয়াগত পরিবর্তন ‘এল নিনো’র প্রভাবে আগামী মাসগুলোতে বিশ্বজুড়ে তীব্র দাবদাহ ও চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। আজ (মঙ্গলবার, ২ জুন) জাতিসংঘের আবহাওয়া বিষয়ক সংস্থা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, এবারের এল নিনো মাঝারি থেকে প্রবল শক্তিশালী হতে পারে, যা বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় কলম্বিয়ার জনগণ, বেশি বিপাকে অভিবাসীরা
খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া। সবচেয়ে বেশি বিপাকে অভিবাসীরা। অনেকেই কমিয়েছে সাংসারিক খরচ। এল নিনোর প্রভাবে খরা ও ভারী বৃষ্টিপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশটির কৃষি খাতও। কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের তাগিদ বিশ্লেষকদের।