কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকরা প্রতিবছর একবার আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার হলো, কৃষিকে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। কৃষি খাতে মৌলিক রূপান্তর আনতে ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ১০টি সেবা পৌঁছে দিতে গত পহেলা বৈশাখ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করে সরকার।
তিনি আরও বলেন, দেশের সব কৃষককে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।





