শহরের পারলা বাস স্ট্যান্ড এলাকার মোনাকো ইন্টারন্যাশনাল ফিলিং স্টেশনসহ প্রধান পাম্পগুলোতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সরকারি নির্দেশনা মেনে তেল দেয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের জন্য সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং বড় যানবাহনের জন্য ১০ লিটার পর্যন্ত তেল বরাদ্দ করা হয়েছে।
পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, আগে দৈনিক পেট্রোল ও অকটেনের সম্মিলিত চাহিদা ৪ হাজার লিটার থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৬ থেকে ৮ হাজার লিটারে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কায় গ্রাহকদের আগাম তেল সংগ্রহের প্রবণতা বাজারে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে বলে তারা মনে করছেন।
আরও পড়ুন:
জেলার ১৫টিরও বেশি ফিলিং স্টেশনে এ নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে তেল সরবরাহ করা হলেও বিপাকে পড়েছেন উপজেলা পর্যায়ের ছোট দোকানের ওপর নির্ভরশীল গ্রাহকরা। বেশিরভাগ দোকানই এখন বন্ধ রয়েছে তেল না থাকায়। বিশেষ করে ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে বোতল বা ড্রামে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় বোরো মৌসুমের এ সময়ে কৃষকরা সেচ কাজের জন্য তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে আব্দুল মোতালেব নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা নিয়মিত এ পাম্পগুলো থেকে তেল নিই। আগে প্রয়োজন মতো নিতে পারতাম, কিন্তু এখন ২০০ টাকার বা ২ লিটারের বেশি তেল দিচ্ছে না। যাদের বেশি চলাচল করতে হয়, তাদের জন্য এটি বড় দুর্ভোগ। অনেকে বেশি তেল মজুত করে এই সংকট বাড়াচ্ছে, প্রশাসনের উচিত এদিকে কঠোর নজরদারি করা।’
এ বিষয়ে নেত্রকোণার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সুখময় সরকার বলেন, ‘জেলার সবকটি ফিলিং স্টেশনে আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। কোথাও কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনকেও এ বিষয়ে সজাগ থাকতে এবং কৃত্রিম সংকট রোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’





