প্রশাসনের সূত্রমতে, ওই বাজারের তবিবর রহমান নামে এক ব্যবসায়ী নিজের ও পাশের ধান ব্যবসায়ী গোবিন্দ দাসের ধানের গুদামে চারটি প্লাস্টিকের ড্রামে ৭০০ লিটার তেল লুকিয়ে রেখেছিলেন। উদ্ধার হওয়া তেলের মধ্যে রয়েছে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালত আসার খবর পেয়ে পালিয়ে গিয়েছেন ব্যবসায়ী তবিবর রহমান।
মণিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)মাহির দায়ান আমিন বলেন, ‘শনিবার দুপুরে আমরা খবর পাই খেদাপাড়া বাজারে ধানের গুদামে প্লাস্টিকের ড্রামে তেল মজুত করা আছে। এই খবরের ভিত্তিতে বিকেলে ঘটনাস্থলে গেলে তেলের মালিক তবিবর পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তবিবরের গুদাম থেকে চার ব্যারেল জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘মজুত চার ব্যারেল জ্বালানি তেলের মধ্যে কোনটার পরিমাণ কতো তা তাৎক্ষণিক পরিমাপ করা যায়নি। জব্দ তেলের পরিমাণ আনুমানিক ৭০০ লিটার। মণিরামপুর বাজারে ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি করে টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হবে।’
স্থানীয় যুবক আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, ‘খেদাপাড়া বাজারের জ্বালানি তেল বিক্রেতা তবিবরের সাথে ওই বাজারের ধানের আড়তদার গোবিন্দের ভালো সম্পর্ক। তার আড়তে খালি তেলের ব্যারেল রাখতেন তবিবর। শনিবার সকালে গোবিন্দের আড়তে ধানের নিচ থেকে বাজারের লোকজন এক ব্যারেল অকটেন উদ্ধার করে প্রশাসনকে খবর দেয়। এরপর বিকেলে অ্যাসিল্যান্ড এসে তবিবরের দোকানে অভিযান চালিয়ে আরও তেল জব্দ করে। আমরা তার দোকানে তেলের জন্য গেলে নেই বলে ফিরিয়ে দিতেন। পরে গোপনে তবিবর ১৮০ থেকে ২০০ টাকা লিটারে পেট্রোল বিক্রি করতেন।’





