অন্যদিকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে হামে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে রোগীর চাপ বেড়েছে। যেখানে সর্দি, কাশি, জ্বর এবং নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে শিশু রোগী ভর্তি হচ্ছে, পরবর্তীতে কারো কারো হাম এবং হামের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে।
এদিকে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে চট্টগ্রামে হামের টিকার সংকট নেই, যে সকল শিশুরা গত ২৪ মাসে টিকার আওতায় আসেনি তাদেরকে দ্রুত শনাক্ত করে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে। অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।





