এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত কারখানা শ্রমিকরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের গাড়ির সামনে ইট এবং বালির বস্তা রেখে বিক্ষোভ করে মুল ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে। কারখানাটি সিলগালা করে দেয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
ভ্রম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিসিকে একটি ময়দার কারখানায় অবৈধভাবে তেল মজুদ রাখা হয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এরপর কারখানার মালিক জামাল উদ্দিন খানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী চলা এ অভিযানের এক পর্যায়ে মজুতকৃত তেল বৈধ দাবি করে বিক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করে শ্রমিকরা।
আরও পড়ুন:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদ মাহমুদ বুলবুল জানান, বৈধ কোনো কাগজপত্র না থাকায় তেল জব্দ করে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড করা হয়েছে।
তবে কারখানার মালিক জামাল উদ্দিন দাবি করেন, তিনি বৈধভাবে জেলা প্রশাসনের মৌখিক অনুমতি নিয়ে এ তেল কারাখানার পরিচালনার জন্য মজুত করেছেন।
পরে ভোলার বিসিক শিল্প নগরীর অন্য গোডাউনগুলোতেও অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।





