শোকসভায়, স্থানীয় শিক্ষক, লেখক এবং শিক্ষার্থী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লোক গবেষক সাইমন জাকারিয়া, প্রত্ন গবেষক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান সহ অন্যান্য পেশাজীবীরা।
সভায়, উয়ারী বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক প্রয়াত হাবিবুল্লা পাঠানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণের পাশাপাশি উদ্ধারকৃত প্রত্ন সম্পদ সংরক্ষণ এবং দ্রুত সময়ে গঙ্গারিদ্ধি প্রত্ন জাদুঘর নির্মাণের দাবী জানানো হয়। এছাড়া, তার দীর্ঘ ৮৭ বছরের জীবনের নানা কাজ নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। এর আগে, গত ২১ মার্চ নিজ বাড়িতে মারা যান প্রত্ন গবেষক ও লোকসাহিত্যিক মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ পাঠান।
গবেষক সাইমন জাকারিয়া তার বক্তব্যে বলেন, হাবিবুল্লা পাঠানের জীবনী গ্রন্থ প্রকাশ করতে চাচ্ছি, সকলের সহায়তা পেলে এটা সম্ভব হবে৷ প্রত্ন জাদুঘর নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জাদুঘর নিয়ে আপনারা বলেন, আমিও বলবো। সবগুলো প্রত্ন সংগ্রহ জাদুঘরে প্রকাশ করা গেলে আমাদের ইতিহাস বিশ্বে অন্যরকম জায়গা পেতো। আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় আমাদের ইতিহাস কে যে সামনে তুলে ধরবে।
ড.সুফি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জ্ঞান টা শুধু গবেষক, অধ্যাপকদের জন্য নয়। জ্ঞানটা সকলের জন্য। হাবিবুল্লা পাঠানের বসার ঘরে দুইটা আলমারিই একটা জাদুঘর। প্রত্ন জাদুঘর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে, প্রায় ৮০ লাখ টাকায় জমি কেনা হয়েছে।
জাদুঘর বাস্তবায়ন করবে জেলা পরিষদ।নানা কারণে এটির নির্মাণ কাজ আটকে আছে। পরিবেশ ঘোলাটে, আমি শঙ্কায় আছি৷ সকলের কাছে অনুরোধ, জেলাবাসীর একটু শ্রম ও সহযোগিতায় জাদুঘর করা সম্ভব।





