তাদের ডিএনএ তনুর পোশাকে পাওয়া নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার আবেদন করা হয়েছে। বিচারক মমিনুল হক আবেদনটি পর্যালোচনার জন্য গ্রহণ করেছেন।
আরও পড়ুন:
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসের ভেতর তনুর মরদেহ উদ্ধার হয়। দীর্ঘ তদন্তে একাধিক সংস্থা কাজ করলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
তনুর পোশাকে তিনজন পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেলেও মামলার রহস্য এখনো অমীমাংসিত।
এদিকে আদালতে উপস্থিত হয়ে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।





