জেলা নির্বাচন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, গত ৪ ফেব্রুয়ারি অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করে জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল। এ ঘটনায় একই দিন রাতে নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
আগামী ৯ এপ্রিল শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ১৭টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার মোট ১২৮টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এ দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এছাড়া ব্যালট পেপার ও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন অফিস জানায়, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য আসনের ২ উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি নির্বাচনি নিরাপত্তা জোরদারে র্যাবের ১০টি টিম মাঠে কাজ করবে এবং আরও ৪টি টিম রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবে বলেও জানানো হয়।
নির্বাচনে পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম মোতায়েন থাকবে। এছাড়া টহল টিম হিসেবে দুই শতাধিক সেনাবাহিনী কাজ করবে। এছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে দায়িত্ব পালন করবেন, ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ২ উপজেলায় ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ১৮ জন পর্যবেক্ষকের পাশাপাশি প্রতি ভোটকেন্দ্রে ৫ থেকে ৬ জন পুলিশ সদস্য এবং ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে।





