বিপ্লবের এমন রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন থাকায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছে তার পরিবার। তবে সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় মার্কেট কমিটি মৃত্যুটিকে স্বাভাবিক হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নিহতের বোন সীমা আক্তার জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষ শুরুতে বিপ্লবের মৃত্যুকে স্ট্রোকজনিত বলে জানায়। পরে তারা দাবি করে, ওয়াশরুমে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু মরদেহ গ্রহণের সময় পরিবারের সদস্যরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান, যা তাদের সন্দেহ আরও জোরালো করে।
আরও পড়ুন:
তাছাড়া ভোর ৬টায় জরুরি ভিত্তিতে বিপ্লবকে ডেকে নেয়া হয়েছিল জানিয়ে, কেন বিপ্লবকে এভাবে ডেকে নেয়া হয়, সে প্রশ্নই পরিবারের সদস্যদের।
এ ঘটনায় স্বজনরা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ সময়ক্ষেপণ করছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
পরিবারের দাবি, নবনিযুক্ত ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে তাৎক্ষণিকভাবে মামলা গ্রহণ করেননি। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত হয়নি বলেও জানান তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক। তিনি বলেন, ‘মামলা না নেয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, তাই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিবার যদি কোনো লিখিত অভিযোগ দিতে চায়, পুলিশ তা অবশ্যই গ্রহণ করবে।’





