এদিকে একই দিনে বিকেলে মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানিকমূড়া এলাকা থেকে ভোগই, কাচি ও নদনা খাল পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।
একসময় প্রবাহমান এ খাল শুকনো মৌসুমে সেচ এবং বর্ষায় পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিলো। কিন্তু দীর্ঘদিন পুনঃখনন না হওয়ায় দখল ও দূষণে খালটি প্রায় ভরাট হয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় কৃষকরা জানান, বিগত সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে একটি পক্ষ প্রায় আড়াইশো বিঘা জমির তিন পাশে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করে। এতে সহস্রাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। তিন ফসলি জমি এক ফসলিতে নেমে আসে, কমে যায় ধান উৎপাদন। ফলে অনেক কৃষক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
সংসদ সদস্য আবুল কালাম বলেন, ‘খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এক ফসলি জমি দুই ফসলি এবং দুই ফসলি জমি তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এতে এলাকার কৃষকরা চাষাবাদে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হবেন।’
এছাড়া খাল-নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।





