কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, ২, ৩ ও ৪-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগগুলো মেরামতের কাজ চলছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কাজ কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে।
এদিকে কালবৈশাখি ঝড়ে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন ছয় উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, লালমাই, চৌদ্দগ্রাম, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় গত দুই দিনে ৭১টি খুঁটি ভেঙে গেছে।
এছাড়া ১ হাজার ২৫টি স্থানে বৈদ্যুতিক লাইনের ওপর গাছ পড়ে ৫৫০টি মিটার ভেঙে যায় এবং ৭৩৮টি স্থানে তার ছিঁড়ে যায়। একই সঙ্গে ৩৫টি মিটার নষ্ট হওয়ায় প্রায় ২৭ হাজার গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
আজ (বুধবার, ২৯ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার দিলীপ চন্দ্র চৌধুরী জানান, ২৬ এপ্রিলের পর সব সংযোগ চালু করা হয়েছিল। কিন্তু ২৮ এপ্রিলের ঝড়ে আবারও সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে দিনরাত কাজ করে সংযোগ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, ৩ ও ৪-এর আওতাধীন আরও ১১টি উপজেলাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সকালের ঝড়ে এসব এলাকায় প্রায় আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। পরে বিকেল পাঁচটার দিকে জাতীয় গ্রিডের প্রধান সংযোগ সংস্কার করা হলে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী রাশেদুজ্জামান জানান, ঝড়ের পর থেকেই তাদের টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। তবে বুধবার রাত পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি।
বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি বলেন, ‘ভবানীপুর ও এগারোগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় গাছ ভেঙে পড়েছে। সেগুলো দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ইউনিয়নগুলোতে সংযোগ পুনঃস্থাপনে কাজ চলছে।’





