শিশুটি নিখোঁজের একদিন পর পুলিশ সন্দেহভাজন নূর মুহাম্মদ খোকন (২০) নামের এক যুবককে আটক করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ শনিবার (৯ মে) দুপুরে খোকনের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে ওই শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে।
নিহত শিশু উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে। সে মুক্তাগাছা শহরের রেসিডেন্সিয়াল মাদ্রাসার ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানায়, শিশুটির পিতা জহিরুল ইসলামের সাথে অনলাইন জুয়া খেলা নিয়ে প্রতিবেশী খোকনের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এর জেরে জহিরুলের ছেলেকে প্রথমে অপহরণ ও পরে হত্যা করে লাশ গুম করে রাখে খোকন। পরে খোঁজাখুঁজির পর রাফিকে না পেয়ে থানায় জিডি করে জহিরুল।
পরদিন পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সন্দেহভাজন খোকনকে আটক করে। পুলিশ খোকনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সঙ্গে নিয়ে শনিবার দুপুরে অভিযানে নামে। পরে খোকনের বাড়ির পিছনের সেপটিক ট্যাংক থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।





