রিয়াদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার জাফরাবাদ ইউনিয়নের বাঁশহাটি গ্রামে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রশিদের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, অভাব-অনটন দূর করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতেই বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন রিয়াদ। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে বিদেশের মাটিতে তার জীবনাবসান ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বরে একটি কোম্পানির মাধ্যমে রাশিয়ায় যান রিয়াদ। সেখানে যাওয়ার পর একপর্যায়ে তিনি রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। পরে তাকে ইউক্রেন সীমান্তবর্তী এলাকায় পাঠানো হয়। গত ২ এপ্রিল ড্রোন হামলায় রিয়াদসহ আরও দুই বাংলাদেশি নিহত হন বলে সহকর্মীদের মাধ্যমে জানতে পারে পরিবার।
আরও পড়ুন
রিয়াদের বড় ভাই মামুনুর রশীদ রবিন বলেন, ‘গত ২৯ এপ্রিল পরিবারের সঙ্গে রিয়াদের শেষবার কথা হয়েছিলো। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, তাদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। এরপর থেকেই তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পরে সহকর্মীদের মাধ্যমে জানতে পারি ড্রোন হামলায় ও মারা গেছে। মরদেহ দেশে আনা সম্ভব কি না জানতে চাইলে তারা জানায়, হামলার পর শরীরের কিছুই অবশিষ্ট থাকেনি। শুধু ছাই হয়ে গেছে।’
রিয়াদের স্বজনরা জানান, পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় বিদেশে গিয়েছিলেন। ভবিষ্যতে রাশিয়ার নাগরিকত্ব পাওয়ার স্বপ্নও ছিল তার।


 Director General Rafael Grossi-320x167.webp)


