বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের মধ্যে উটটিকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। অনেকে ছবি ও ভিডিও ধারণেও ব্যস্ত সময় পার করছেন।
খামার মালিক জুয়েল আহমেদ জানান, প্রায় দুই মাস আগে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে ভারতের রাজস্থান অঞ্চল থেকে উটটি আনা হয়। ছয় বছর বয়সী উটটির নাম রাখা হয়েছে ‘সুলতান’। ছেলের আগ্রহ থেকেই নামটি রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘পশুর হাটে ভিন্নতা আনতেই উটটি আনা হয়েছে। মানুষের আগ্রহ ও সাড়া দেখে আমরা খুবই উৎসাহিত। প্রাথমিকভাবে উটটির দাম চাওয়া হচ্ছে ৩২ লাখ টাকা। এরইমধ্যে অনেকেই এসে দেখছেন এবং দরদাম করছেন। কাঙ্ক্ষিত দাম পেলেই বিক্রি করে দেব, তবে এখনও বাজার পুরোপুরি শুরু হয়নি। সামনে নেউরা পশুর হাটে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।’
আরও পড়ুন: কোরবানি ঈদ ঘিরে নারায়ণগঞ্জের খামারিদের ব্যস্ততা; চাহিদার তুলনায় বেশি পশুর সরবারহ
উটটির দেখভালকারী সুমন মিয়া বলেন, ‘উট পালন তুলনামূলক সহজ। খাদ্যাভ্যাস ও পরিচর্যার দিক থেকে এটি অনেকটাই গরুর মতো। এছাড়া অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় রোগবালাইও কম হয়।’
তিনি বলেন, ‘শান্ত স্বভাবের “সুলতান” বালি পেলেই শুয়ে পড়ে। ঘাস ও খড় খাওয়ানো হলেও কাঁটাযুক্ত খাবার বেশি পছন্দ করে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মোর্শেদ আলম বলেন, ‘কুমিল্লার পশুর হাটে আগে উট তোলা হয়নি। এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজন খুব একটা দেখা যায়নি। তাই “সুলতান” এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।’
আরও পড়ুন: যেখানে খালি জায়গা পাওয়া যাবে সেখানেই খেলার মাঠ করবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুল আলম বলেন, ‘উট আমাদের দেশিয় প্রাণী নয় এবং প্রচলিত প্রাণিসম্পদের আওতায়ও পড়ে না। তবে যেহেতু প্রাণীটি দেশে আনা হয়েছে, প্রয়োজন হলে চিকিৎসা সহায়তা দেয়া হবে।’
এদিকে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (স্থানীয় সরকার) আব্দুল্লাহ আল মামুন বাসসকে জানান, এবার কোরবানিকে সামনে রেখে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, জেলার ছয়টি পৌরসভা ও ১৭ উপজেলায় মোট ৪৩০টি পশুর হাট বসছে।





