স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের জামাত শেষে কোরবানির গোস্ত সংরক্ষণ নিয়ে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন আবু বকর মুন্সী এবং অন্য পক্ষের নেতৃত্ব দেন কামরুজ্জামান সম্রাট।
একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়ে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) পরেশ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





