প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত।
সেতুটি নির্মাণ হলে নদীর দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, চিকিৎসা, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজে যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হবে। সেই সঙ্গে শহরের ওপর ভারি যানবাহন চাপ কমে আসার পাশাপাশি দুর্ঘটনাও কমে আসবে।
স্থানীয়রা জানান, প্রয়াত স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার, পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির ও পঞ্চগড়ের সাবেক জেলা প্রশাসক সাবেত আলী পঞ্চগড়ে মীরগড়ের কাঠের সেতুর স্থানে একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের জন্য অনেক দৌঁড়ঝাপ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আতিকুর রহমান জিসান বলেন, ‘আজ আমরা দারুণ খুশি। দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আজ সেতুটি একনেকে অনুমোদন হয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-১ আসনের সাংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাই।’
নুরজাহান বেগম নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা খুব কষ্ট করে আমরা কাঁঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতাম। সেতু নির্মাণ হবে শুনে খুব খুশি হয়েছি। আমাদের আর কষ্ট করে পাড়াপাড় হতে হবে না।’
পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ বলেন, ‘প্রয়াত ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ২০২৪ সালে এই সেতু ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের জন্য সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকে ডিও লেটার দিয়েছিলেন। তারপরে পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় আজ বহুল প্রত্যাশিত এই সেতু একনেকে অনুমোদন হয়েছে। নান্দনিক এই সেতু নির্মিত হলে পুরো শহরে যানবাহনের চাপ কমে যাবে। ভারি যানবাহন চলাচল করবে ওই পথ দিয়ে। শুধু সেতু নয় তার সঙ্গে আরও ১১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মিত হবে। এতে পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধার দূরত্বও কমে আসবে। হাজারো পণ্যবাহী যান নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবে।’
পঞ্চগড় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোতাহার আলী বলেন, ‘মীরগড় এলাকায় দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণের প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হবে।’





