এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ এলাকায় সব ধরনের মৎস্য নৌযানের মাধ্যমে ইলিশসহ সব প্রজাতির মাছ আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সরকারের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে সমুদ্র, নদী ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর জাহাজ ও কন্টিনজেন্ট মোতায়েন করা হয়েছে। ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় ৯টি জেলায় নৌবাহিনীর সদস্যরা টহল ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
গভীর সমুদ্রে দেশি-বিদেশি মাছ ধরার নৌযানের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নৌবাহিনীর জাহাজের পাশাপাশি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে।
এছাড়া সমুদ্র, উপকূলীয় এলাকা ও দেশের অভ্যন্তরীণ নদ-নদীসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকায় নৌবাহিনীর জাহাজ, ক্রাফট, বোট ও কন্টিনজেন্ট মোতায়েন রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ও মৎস্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধ ইলিশ আহরণ ও বিদেশি মাছ ধরার ট্রলারের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করা হবে।
অভিযান চলাকালে নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার-প্রচারণাও চালানো হবে। ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত এবং জাতীয় অর্থনৈতিক সম্পদ মা ইলিশ সংরক্ষণে এ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।





