তিনি বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলে চায়ের উৎপাদন বেড়েছে ৪০ শতাংশ। ১৯৪৭ সালে দেশে চায়ের উৎপাদন ছিলো ১৮ মিলিয়ন কেজি। ১৯৭০ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৮ মিলিয়নে। বর্তমানে শুধু পঞ্চগড়েই চা উৎপাদন হচ্ছে ২৫ মিলিয়ন কেজি। চায়ের গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য কাজ এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছি। একইসঙ্গে চায়ে কীটনাশক ব্যবহার করলে গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়। কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে আমরা চা গবেষণা ইন্সটিটিউটের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি।’
এ সময় তিনি বলেন, ‘সমতলের চা শিল্পে সার সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সার বরাদ্দও হয়ে গেছে। শিগগিরই তা চাষিরা পেয়ে যাবেন। চা আইনের সংশোধনী আমরা পাঠিয়েছি। একটু সময় লাগছে। আশা করি শিগগিরই আমরা সেটি পেয়ে যাবো।’
এসময় তিনি ভালো মানের চা উৎপাদনের জন্য চা চাষী ও কারখানা মালিকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। কর্মশালায় সমতলে ৬০ জন চা চাষী ও কারখানা মালিক অংশ নেয়। পরে ৩০টি চা প্রক্রিয়াজাত কারখানার চা টি টেস্টারদের দিয়ে পরীক্ষা করানো হয়।
এসময় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাংলাদেশের চা বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন, বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক হলেন ড. এ. কে. এম. রফিকুল হক, পরিচালক ইসমাইল হোসেনসহ চা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





