পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় এক মাস আগে দুই মাসের ছুটিতে দেশে এসেছিলেন শাহেদ। ছুটি শেষ হওয়ার আগেই কাজের প্রয়োজনে গত শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সৌদি আরবে ফিরে যান তিনি। সেখানে পৌঁছানোর পর শনিবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে স্ত্রী কোহিনুর আক্তার কাকলীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয় তার। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বারবার ফোন করেও তাকে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন স্বজনেরা।
আজ (রোববার, ১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মাধ্যমে শাহেদের মৃত্যুর খবর জানতে পারে তার পরিবার। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নেন।
শাহেদের বাবা রফিকুল ইসলাম প্রায় ৪০ বছর ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছেন। তার মা ছাহেরা বেগমও দুই মাস আগে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে গেছেন। দেশে শাহেদের স্ত্রী ও তাদের দুই সন্তান রয়েছেন।
বগুড়া পৌরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুহুল কুদ্দুস ডিলু শাহেদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, সৌদি আরবে যাওয়ার পর শনিবার বিকেল থেকে শাহেদের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাইফুর রহমান জানান, নিহত শাহেদের বাড়ি উপজেলার মাদলা গ্রামে বলে নিশ্চিত হয়েছেন তারা। তার মরদেহ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মিশন কাজ করছে।





