ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি: ডা. রফিক

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ | ছবি: এখন টিভি
0

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম। আজ (শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর) ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় স্থানীয় বিএনপি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), যুবদল, ছাত্রদলসহ দলের অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

লিফলেট বিতরণকালে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির কারণ, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে রোগ প্রতিরোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যেই দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট তৈরি করা হয়েছে, যা দেশব্যাপী নিয়মিত বিতরণ করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। অতীতে ডেঙ্গুর মৌসুমে স্যালাইনের সংকট দেখা দিলেও এবার পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া সরকারিভাবে ডেঙ্গুর পরীক্ষা বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকট নিরসনে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

অধ্যাপক রফিকূল ইসলাম বলেন, ‘ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মসহ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশব্যাপী এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

এএইচ