গ্রেপ্তারকৃত হলেন; আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মো. মুসা (২৬)।
রবিবার দুপুরে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান এসআরবি-১২ পাবনার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার ডলি রানী সরকার।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি এর একটি দল পাবনার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া পূর্ব বনগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুসাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি মামলার এজাজার নামীয় সন্দেহভাজন ৯ নম্বর আসামি বলে দাবি এসআরবির।
গ্রেপ্তারকৃত মুসার থেকে হত্যা সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা গেছে কি না এ প্রসঙ্গে এসআরবি জানায়, তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আতাইকুলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এর আগে ঘটনার ৪৫ ঘণ্টা পর গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) নিহত শ্রমিক দল নেতা রিপন হোসেনের ভাই রুবেল হোসেন বাদী হয়ে জোড়া খুনের ঘটনায় আতাইকুলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
আতাইকুলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ কুমার সাহা জানান, মামলার এজাহারে ১৫ জনকে সন্দেহভাজন ও অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুষ্পপাড়া হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে হাটের বর্তমান ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী ও তার ভাগ্নে রিপন হাটের পাশে তাদের অফিসে বসে নাস্তা করছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের কয়েকজন লোক মুখোশ পরা অবস্থায় এসে তাদের উপরগুলি বর্ষণ করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি।
নিহতরা হলেন; হাট ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী (৫৫) ও তার ভাগ্নে রিপন হোসেন (৫০)। আব্দুস সালাম ধর্মগ্রাম এলাকার মৃত আরজ আলী ব্যাপারীর ছেলে। আর রিপন একই এলাকার মৃত ওমেদ আলীর ছেলে।





