পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে আলীগঞ্জ পূর্বপাড়া এলাকায় একটি টিনশেড বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত কক্ষ থেকে সাবিনা বেগম ওরফে চম্পা (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।
ওই সময় নিহতের স্বামী জানান, ভোরে ঘুম থেকে উঠে তিনি স্ত্রীকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত কক্ষে তার মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই রুবেল কাজী বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন:
পরে মামলাটি পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পরে ঘটনার দিন রাতে আলীগঞ্জ এলাকা থেকে আত্মগোপনের চেষ্টাকালে নিহতের স্বামী হামিদুল ইসলাম রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআইয়ের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি হত্যার দায় স্বীকার করে জানায়, পারিবারিকভাবে বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। পরকীয়ার সন্দেহকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। ঘটনার দিন রাতেও একই বিষয় নিয়ে তর্কের এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রনি তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মরদেহটি বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত কক্ষে ফেলে রাখে।
এদিকে রনিকে গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে সেখানে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে বলে জানায় পিবিআই।





