পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে শিশুদের খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের একই পাড়ার জামাল মিয়া ও সুজন মিয়ার স্ত্রীদের মধ্যে ঝগড়া বাধে। দুই পরিবারের স্ত্রীরা ঝগড়ার পর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করে।
এরপর স্বজনদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে দুপুরের পর ঝগড়াটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে জামাল মিয়া আহত হয়। তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:
এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত সুজন মিয়া পালিয়ে গেলেও এলাকাবাসী তার স্ত্রী অযুফা আক্তারকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ বলেন, ‘শিশুদের খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের নারীদের মধ্যে ঝগড়া বাধে। সকালে তারা ঝগড়া করে দুপুরে হাতাহাতির পর্যায়ে নিয়ে যায়। এরপর জামাল মিয়া ও সুজন মিয়ার মারামারি শুরু হয় য থেকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে জামাল মিয়া আহত হলে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সুজন মিয়ার স্ত্রী অযুফাকে আটক করা হয়েছে।’




