শাহজালালে বিমানের মেকানিক্যাল-ক্লিনিং দলকে তল্লাশি, ১২০ পিস গোল্ডবার উদ্ধার

উদ্ধারকৃত গোল্ডবারগুলো
উদ্ধারকৃত গোল্ডবারগুলো | ছবি: সংগৃহীত
0

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকা কাস্টমস হাউস ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা দুবাই হতে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে অভিযান চালিয়েছে। অভিযানে বিমানের মেকানিক্যাল ও ক্লিনিং দলকে তল্লাশি করে ১২০ পিস গোল্ডবার উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, গোল্ডবারগুলোর মোট ওজন ১৩ দশমিক ৯২ কেজি এবং আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি টাকা।

আজ (শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরে কর্মরত ঢাকা কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তা ও প্রিভেন্টিভ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ তল্লাশি অভিযান চালায়। পরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাস্টমস হাউস আজ আনুমানিক সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালান সংঘটিত হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে তৎক্ষণাৎ বিমানবন্দরে কর্মরত কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তা ও প্রিভেন্টিভ টিম বিমানের অভ্যন্তরে বিশেষ তল্লাশির জন্য উপস্থিত হন।

এসময় বিমানের মেকানিক্যাল ও ক্লিনিং দল বিমান পরিষ্কার করে নিচে নামার সময় বিমানের সিকিউরিটি গার্ড নুর ইসলামের সহযোহিতায় ওই দলকে তল্লাশি করে বিমানবন্দরের অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিক্যাল হেলপার মো. সোয়েব গাজীর পরিহিত বেল্টের মধ্যে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় কালো স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় গোল্ড বারগুলো পাওয়া যায়।

কাস্টমস হাউস জানায়, তল্লাশি চলাকালে এভসেক, কাস্টমস গোয়েন্দা ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা উপস্থিত ছিলো।

কাস্টমসের ধারণা, উদ্ধারকৃত স্বর্ণবারগুলো অবৈধভাবে সরকারি শুল্ক-করাদি ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশে দেশে আনা হয়েছে, যা পরবর্তীতে যেকোনো পথে বিমানবন্দর সীমানার বাইরে পাচারের আশঙ্কা ছিলো।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, উদ্ধারকৃত স্বর্ণবারগুলো অধিক মূল্যবান হওয়ায় সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কাস্টমসের মূল্যবান গুদামে জমা করা হয়। অখালাসকৃত বা চোরাচালানের অভিযোগে আটক ও বাজেয়াপ্তকৃত পণ্যের নিষ্পত্তি পদ্ধতি সংক্রান্ত স্থায়ী আদেশ মোতাবেক মূল্যবান ধাতু হিসেবে স্বর্ণবারগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রক্রিয়াধীন।

এসএইচ