আজ (বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর) সিআইআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৮ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের সি-শিফট জানতে পারে, মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজে বিদেশি মদ বহন করা হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে পূর্বপরিকল্পিত নজরদারি জোরদার করেন।
সিআইআইডি জানায়, ফ্লাইটটি আনুমানিক সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রীরা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন ও ব্যাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করেন।
আরও পড়ুন:
গ্রেপ্তাররা হলেন— আজমুল হক, মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া, মো. ইমরান, বাবুল মিয়া, মো. নাফিজ সাবাত, আল-আমিন শেখ ও সাদ্দাম হোসাইন। তাদের কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে ১০ লিটার, ৭ লিটার, ৬ লিটার, ৬ লিটার, ৩.৫০ লিটার, ৩.৫০ লিটার ও ৩ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, একই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের একাধিক যাত্রীর ব্যাগেজে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি মদ পাওয়ার ঘটনাটি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং আটক বিদেশি মদের বিষয়ে প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এছাড়া বিষয়টি সংঘবদ্ধভাবে সংগঠিত কি না এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত— তা উদ্ঘাটনে একটি বিশেষ তদন্ত দল অনুসন্ধান করবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।




