নিহত রাশেদুল ইসলাম (৩৮) লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ধুবনী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকার এসকেএইচ গার্মেন্টসে স্যাম্পল সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন। তার স্ত্রী হাসনাও একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তাদের দুই সন্তান রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, স্ত্রীর নামে জমি রেজিস্ট্রি করা নিয়ে এ দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো। একাধিকবার পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও এ বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর স্বামী-স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে আলাদা কক্ষে ঘুমোতে গেলেও পরদিন ৮ অক্টোবর ভোর পৌনে ৪টার দিকে বাবার চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায় তাদের সন্তান তাওহিদের। এসময় সে বাবাকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখতে পায়।
আরও পড়ুন:
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা রাশেদুলকে হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা করেন। তবে বাড়ির সামনের কাঁচা সড়কেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর হাসনা পালিয়ে যান বলে অভিযোগ স্বজনদের। এ ঘটনায় নিহতের মামা মো. মফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে হাসনা আক্তারকে আসামি করে সিংগাইর থানায় হত্যা মামলা করেন।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে হাসনা পলাতক ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি স্বামীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে।’
হাসনা আক্তারকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।




