প্যাসেজের দুপাশে স্তুপ করে রাখা শত শত ফাইল। খসে পড়ছে দেয়ালের পলেস্তরা। ঝুলে আছে বৈদ্যুতিক তার। এর মধ্যেই আমদানি-রপ্তানির গুরুত্বর্ণ নথি নিয়ে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা ছুটছেন। কেউ আবার দাঁড়িয়ে ফাইলের ওপর দাপ্তরিক কাজ করছেন।
দেশের ৯২ শতাংশ আমদানি ও রপ্তানির শুল্কায়ন হয় চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজে। ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ প্রতিদিন শত শত লোক আসে এ দপ্তরে। ১৯৫৮ সালে নির্মিত পুরানো ভবনটি চাহিদা পূরণে সক্ষম না হওয়ায় অবশেষে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় নয়শো কোটি টাকা ব্যয়ে সকল সুবিধাসহ নির্মিত হচ্ছে ১৪ তলা ভবন।
এই ভবনে থাকবে আধুনিক রাসায়নিক পরীক্ষাগার, ব্যাংকের বুথ, হেল্প ডেস্ক, সার্ভিস সেন্টার, মিউজিয়াম, লাইব্রেরি, আর্কাইভ, ডে কেয়ার ও মেডিক্যাল সেন্টারসহ প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা।
আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার মো. শরীফ আল আমিন বলেন, ‘আশা করছি আমরা জুনের মধ্যেই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আমরা চলে যাব। এবং এখন যে ভবন আছে সেটা আইন ও বিধির মাধ্যমে কনডেম করে নতুন ভবন তৈরির কার্যক্রম শুরু হবে।’
আধুনিক রাসায়নিক ল্যাবসহ নতুন ভবনে সব সুযোগ সুবিধা থাকায় কাস্টমসের কাজে গতিশীলতা ও রাজস্ব আয় বাড়বে বলে মনে করছেন সেবাগ্রহীতারা।
চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত আলী বলেন, যত তাড়াতাড়ি আমরা শিফট হতে পারবো তত তাড়াতাড়ি আমাদের অর্থনীতির জন্য উপকার হবে। কাজের গতিশীলতা বাড়বে, পরিধি বাড়বে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের পুরানো ভবন ভাঙ্গার আগে আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে স্থানান্তর হবে। এখানে দুটি ফ্লোরে চলবে কার্যক্রম। তিন বছরে কাস্টমস হাউজকে ভাড়া দিতে হবে ৮১ কোটি টাকা।





