আরও উল্লেখ করা হয়, এসব প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তফসিলি ব্যাংকে ট্রাস্ট ও সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করে। এসব অ্যাকাউন্ট এবং ই-মানি ও মার্চেন্ট দায় সংক্রান্ত সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রতিবেদন নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রাহকের অর্থের নিরাপত্তা, সামগ্রিক পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা এবং জনআস্থা রক্ষা করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তথ্য প্রদানের দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর পড়বে।
আরও পড়ুন:
নতুন বিধান অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানগুলোকে দৈনিক ভিত্তিতে বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। এর মধ্যে থাকবে ট্রাস্ট ও সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্টের স্থিতি, এসব অ্যাকাউন্ট থেকে করা বিনিয়োগ, ট্রাস্ট ফান্ডস ইন ট্রানজিট এবং ই-মানি ও মার্চেন্ট দায় সংক্রান্ত বিস্তারিত উপাত্ত।
নির্ধারিত ফরম্যাট (টেমপ্লেট) ব্যবহার করে পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগে এসব তথ্য জমা দিতে হবে।
নির্দেশনা অমান্য বা ভুল তথ্য দিলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০২৪-এর ৩৭(৩) ধারা অনুযায়ী মিথ্যা তথ্য প্রদান আদালতে দণ্ডনীয় অপরাধ। এছাড়া একই আইনের ৪১ ধারার অধীনে জরিমানা আরোপের ক্ষমতাও সংরক্ষণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০২৪-এর ১৮(৪) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।





