বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণ, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি স্বতন্ত্র এডু আইডি চালুকরণ, ডিজিটাল লাইব্রেরির ব্যবস্থাকরণ এবং শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, কোডিং ও ডিজিটাল লিটারেসির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচিত করার ব্যবস্থা করা হবে।’
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে ৪৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। ফলে নতুন বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
আরও পড়ুন:
অর্থমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন। যা বিগত অর্থবছরের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। সবশেষ ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়ে গিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৬ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এই বরাদ্দের পরিমাণ ৩৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা কমে ৩১ হাজার ৭১৮ কোটিতে দাঁড়ায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৭ হাজার ৩০২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এই বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৪৭ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা। পরে সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ কমে দাঁড়ায় ৪১ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা।
একই মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা ছিল ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ কমিয়ে ১২ হাজার ৩৯৬ কোটি করা হয়।




