কেন পরীক্ষা বাতিলের দাবি? (Reasons for Cancellation Demand)
আন্দোলনকারী পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষা শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (Social Media) প্রশ্নের একাংশ ছড়িয়ে পড়েছিল। পরীক্ষার প্রশ্নের সাথে সেই ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রে ডিভাইস জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তর সরবরাহের অভিযোগও তুলেছেন তারা।
আরও পড়ুন:
পরীক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি (5-Point Demands of Candidates)
বিক্ষোভকারীরা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে একটি স্মারকলিপি (Memorandum) পেশ করেছেন। তাদের প্রধান দাবিগুলো হলো:
- বিতর্কিত পরীক্ষাটি বাতিল করে দ্রুত নতুনভাবে পরীক্ষা (Re-exam) নিতে হবে।
- জালিয়াতি ঠেকাতে সকল চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং জ্যামার (Network Jammer) ব্যবহার করতে হবে।
- প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের পদত্যাগ।
- স্বতন্ত্র পরীক্ষা কমিটি গঠন এবং একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা বন্ধ করা।
- প্রশ্ন ফাঁসের রেকর্ড থাকা কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব না দেওয়া।
আরও পড়ুন:
অধিদপ্তরের বক্তব্য ও তদন্ত কমিটি (DPE Response & Investigation)
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটি (Investigation Committee): অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুতই একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
ফলাফল স্থগিত (Result Postponed): অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখা হতে পারে। যদি প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে পুরো পরীক্ষাটি বাতিল (Exam Cancelled) ঘোষণা করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
ডিজিটাল জালিয়াতি ও ২০৭ জন বহিষ্কার (Digital Fraud & Expulsion)
মহাপরিচালক স্পষ্ট করেছেন যে, অনেক ক্ষেত্রে যা 'প্রশ্ন ফাঁস' বলা হচ্ছে তা আসলে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল (Copying via Digital Device) করার চেষ্টা।
বহিষ্কার: জালিয়াতি ও নকলের দায়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ২০৭ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আইনি ব্যবস্থা: অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় মামলা হয়েছে এবং অনেককে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের ৫ দফা ও পরবর্তী অবস্থা (Demands & Current Status)
নিয়োগপ্রত্যাশীরা জালিয়াতিমুক্ত স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে অধিদপ্তর ঘেরাও করে ৫ দফা দাবি পেশ করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়োগের ফলাফল (Primary Result) ঘোষণা স্থগিত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





