জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝি সময়েই এবার দেশে ঈদুল আজহা উৎযাপনের অপেক্ষায় মুসলিম উম্মাহ। একদিকে, তীব্র দাবদাহ, অন্যদিকে ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়েই চলছে পশু কোরবানিসহ ঈদুল আজহার অন্যান্য প্রস্তুতি।
এমন প্রেক্ষাপটে আগামী ৫ দিনের আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রকাশ করছে ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এতে বলা হয়, ঈদের দিন সকালে জনজীবনে অস্বস্তি বিরাজমান থাকতে পারে, সকালে না হলেও বিকেলে এক পসলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, ঈদের দিন থেকে পরের ২ দিন বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়বে বলেও পূর্ভাবাসে জানানো হয়।
ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ বজলুল রশিদ বলেন, ‘ঈদের দিনে সকালের দিকে যে বৃষ্টিটা হবে, সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে আপনার রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট। তবে ঢাকাসহ দক্ষিণাঞ্চল সকালের দিকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদি সকালে কোনো কারণে বৃষ্টি যদি সকালে না হয়, সেক্ষেত্রে একটা বিকেলে একটা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ঈদের দিন।’
আরও পড়ুন:
এদিকে বিভাগীয় পূর্বাভাস ঘেটে দেখা গেছে, ৩০ ও ৩১ তারিখে পর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে আসবে। তাপমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অন্যদিকে, এই সময়ে বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় খোলা মাঠ বা বারান্দায় অবস্থান না করতেও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘ঈদের দিন একদম আর্লি মর্নিং-এ অর্থাৎ ভোর পাঁচটা থেকে সকাল সাতটার মধ্যে একটু বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রধ্বনি শুনলেই ইমিডিয়েটলি দৌড়ে ঘরে অবস্থান করতে হবে। বৃষ্টি বিলাসের নামে বাইরে যাওয়া যাবে না, রুফটপে বৃষ্টিতে ভেজা যাবে না।’
চলতি মাসে বাংলাদেশে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৭৫-৯০ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে। একইসঙ্গে মে মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং এপ্রিলে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৭৬ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলেও জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।




