সেলাঙ্গর বিজনেস সামিটে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, প্রযুক্তিসেবা রপ্তানিতে নজর

মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সামিট
মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সামিট | ছবি: এখন টিভি
0

মালয়েশিয়ার চারদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগের সেলাঙ্গর ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সামিটে অংশ নেয় বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশ। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। প্রযুক্তিসেবা রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে যৌথ প্রকল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

আসিয়ান অঞ্চলে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চায় মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্য। দেশটির অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত এই রাজ্যে নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ তৈরিতে আয়োজন করা হয় সম্মেলনের।

সেলাঙ্গর, দ্য গেটওয়ে টু আসিয়ান, প্রতিপাদ্যের এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশও। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি দেশিও প্রযুক্তিসেবার রপ্তানি বাড়ানো ছিলো অন্যতম লক্ষ্য। ৫০ হাজার দর্শনার্থীর সমাগম এবং সম্ভাব্য ৮শ' কোটি রিঙ্গিতের ব্যবসায়িক লেনদেনের সুযোগ তৈরির আশা আয়োজকদের।

একজন বলেন, ‘সৌরবিদ্যুৎ এবং হচ্ছে আবাসন ও টেকনোলজি—তিনটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ এবং অপার সম্ভাবনা আছে।’

গত জুনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতেও দেয়া হয় বিশেষ গুরুত্ব। এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখছে হাইকমিশন।

মালয়েশিয়া নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনের প্রথম সচিব প্রণব কুমার ঘোষ বলেন, ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে আমরা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরছি; যেমন—ফার্মাসিউটিক্যাল, রেডিমেড গার্মেন্টস, আমাদের রিনিউয়েবল এনার্জি, আমাদের সেমিকন্ডাক্টর, আইটি—এই বিষয়গুলো। আমরা ভালো সাড়া পাচ্ছি এবং বেশ কিছু বিষয়ে এখানে যারা আসছেন তাদের মধ্যে কিছু দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিলো, কনফিউশন ছিলো, তথ্যের ঘাটতি ছিলো—এই বিষয়গুলো আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক এমন ব্যবসায়িক সম্মেলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং কার্যকর যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা গেলে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য আসিয়ান অঞ্চলের বাজারে প্রবেশ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ আরও বাড়তে পারে।

জেআর