পাসপোর্টের আদলে তৈরি নতুন এই ফোনে রয়েছে ৭.৬ ইঞ্চির ফ্লেক্সিবল ডিসপ্লে, যা ভাঁজ করা অবস্থায় সাধারণ স্মার্টফোনের মতো ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপল দাবি করেছে, এটি তাদের তৈরি এ যাবৎকালের সবচেয়ে পাতলা আইফোন। নতুন সিইও জন টার্নাস মেগা ইভেন্টে ফোনটি উন্মোচন করে বলেন, ব্যবহারকারীদের আইপ্যাডের মতো অভিজ্ঞতা পকেটে বহনযোগ্য ডিভাইসে দিতেই নতুন এই টাইটানিয়াম বডির ফোনটি নকশা করা হয়েছে।
অ্যাপলের নতুন এই ফোন উন্মোচনের পরপরই প্রতিযোগীদের তৈরি ফোল্ডেবল ফোনের চেয়ে দাম ও ফিচারে নতুন মানদণ্ড তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা। ইন্টারন্যাশনাল ডাটা করপোরেশনের (আইডিসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ প্রিমিয়াম ফোল্ডেবল ক্যাটাগরির প্রায় ৪০ শতাংশ বাজার দখল করে নেবে অ্যাপল। আইফোন ডুও-তে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যাপলের তৈরি নতুন এ২০ প্রো চিপসেট এবং সি২ মডেম চিপ, যা উচ্চগতির এআই প্রসেসিং ও ২৫ ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম।
অনুষ্ঠানে একই সঙ্গে আইফোন ১৮ প্রো এবং ১৮ প্রো ম্যাক্স মডেল দুটিও উন্মোচন করা হয়, যার প্রারম্ভিক মূল্য যথাক্রমে ১ হাজার ১৯৯ ও ১ হাজার ২৯৯ ডলার। নতুন আইফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি ছবি শনাক্ত করতে বিশেষ সিকিউরিটি স্ট্যান্ডার্ড যুক্ত করা হয়েছে। আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে বিশ্ববাজারে নতুন এই ডিভাইসগুলো পাওয়া যাবে।





