মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও সুবিধা করতে পারছে না ক্রিপ্টোর বাজার। ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা, স্বর্ণ ও রুপার দরের ক্রমাগত ওঠানামা ও মার্কিন সুদের হার না কমায় বেশ কয়েকমাস ধরেই ঝুঁকিতে ডিজিটাল মুদ্রার বিনিয়োগকারীরা।
তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পদে ডোনাল্ড ট্রাম্প কেভিন ওয়ারশকে বেছে নেয়ায়, ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে ক্রিপ্টোর বাজারে। অর্থনীতিবিদদের ধারণা, সুদের হার কমাবেন না ওয়ারশ। আর এতেই ক্রিপ্টোকারেন্সির বিনিয়োগকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।
আরও পড়ুন:
এ সপ্তাহে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিটকয়েনের দাম। বর্তমানে ৬০ হাজার মার্কিন ডলারে মিলছে একটি বিটকয়েন, যা ২০২৪ সালের পর সবচেয়ে কম। এতে করে এ বছরের প্রথম দুই মাসেই বিটকয়েনের দাম কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ। কমেছে ইথেরিয়াম, বাইনান্স কয়েন, সোলানাসহ অন্যান্য ক্রিপ্টোর দামও।
ক্রিপ্টোকারেন্সির পারফরম্যান্স মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান কয়েনগেকোর তথ্য অনুযায়ী, শুধু এক মাসেই ডিজিটাল মুদ্রার বাজার থেকে উধাও ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্য। বিশেষজ্ঞরা ক্রিপ্টোর এ দরপতনকে উল্লেখ করেছেন ক্রিপ্টো উইন্টার নামে।
এর আগে ২০২৪ সালে ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় প্রতিষ্ঠান এফটিএক্সের আর্থিক জালিয়াতির দায়ে বড় দরপতন দেখে ডিজিটাল মুদ্রার বাজার। তবে বিশেষজ্ঞদের মত, খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হবে না ক্রিপ্টোর মন্দাবস্থা। শিগগিরই ঘুরে দাঁড়াবে ডিজিটাল মুদ্রার এ বাজার।





