২০১৯ সাল থেকেই গ্রিনল্যান্ড দখলের পায়তারা করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে তা বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। বিশেষ করে ভেনেজুয়েলায় আক্রমণের পর তার এই মনোবাসনা আরও প্রখর হয়েছে। কখনো ভূখণ্ডটি কেনার প্রস্তাব, কখনো নাগরিকদের নগদ অর্থের প্রলোভন, আবার সরাসরি সামরিক অভিযানের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন ক্রমাগত।
গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির মধ্যেই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ডেনিশ এবং গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ থাকার বিষয়ে বৈঠকে জোর দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দ্বীপটির প্রধানমন্ত্রী। গ্রিনল্যান্ড কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে চটেছেন ট্রাম্প। তাকে চেনেন না দাবি করে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।
এদিকে, ট্রাম্পের আগ্রাসী পদক্ষেপ দমাতে একটি বিল উত্থাপন করেছেন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান সিনেটররা। যার মূল লক্ষ্য হল স্বায়ত্তশাসিত গ্রিনল্যান্ডসহ ন্যাটো অঞ্চল দখলে ট্রাম্পকে বাধা দেয়া।
আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তায় পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনার জন্য শিগগিরই ন্যাটো সদস্যদের বৈঠক হবে জানিয়েছেন সংস্থার মহাসচিব মার্ক রুট।
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চলমান অস্থিরতায় আতঙ্কে বাসিন্দারা। কোনো ধরনের আক্রমণ ও সামরিক অভিযান নয়, কূটনৈতিক উপায়ে সমাধান চান গ্রিনল্যান্ডবাসী।
ট্রাম্প বারবার অভিযোগ করে আসছেন, খনিজ সমৃদ্ধ অঞ্চলটি রাশিয়া বা চীন কৌশলগতভাবে দখল নিয়ে নেবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্যই গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা চান তিনি।





