হরমুজ প্রণালির কাছে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার জাহাজ পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বজুড়ে প্রয়োজনীয় সরবরাহ বহনকারী প্রায় ২০০টি তেল ট্যাংকার রয়েছে। ইরানি সামরিক বাহিনী কৌশলগত এই জলপথের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখায় তেলের বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়ছে।
জাহাজগুলো প্রণালিতে প্রবেশ বা প্রবেশমুখের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে একাধিক হুমকি দেয়া হয়েছে। কয়েক দিন আগে দূরে একটি জাহাজকে কয়েক ঘণ্টা ধরে জ্বলতে দেখা গেছে। সেটি ইরানি বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনার প্রেক্ষাপটে সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন:
ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে তারা প্রণালি দিয়ে যেতে দেবে না, তবে অন্যরা পারাপার করতে পারবে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট নয়—এমন জাহাজও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। সম্প্রতি থাই পতাকাবাহী একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।
ক্ষেপণাস্ত্র জাহাজটিতে আঘাত হানে এবং প্রায় ২০ জন নাবিককে ওমানের নৌবাহিনী উদ্ধার করে। এখনো প্রায় তিনজন নাবিক সমুদ্রে নিখোঁজ রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।





