বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, সশস্ত্র সংঘাতে বেসামরিক মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্য করে হামলা এবং কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলার কোনো যুক্তি থাকতে পারে না।
সংঘাতের বিস্তৃত প্রভাব সীমিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বিবৃতিটি দেয় কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ জি-৭–এর অন্য সদস্য দেশ। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চ প্রতিনিধি এতে যুক্ত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
বিবৃতিতে বলা হয়, আঞ্চলিক অংশীদার এবং বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর সংঘাতের প্রভাব কমিয়ে আনা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা এবং মানবিক সহায়তা প্রচেষ্টা সমন্বয়ের গুরুত্ব তারা তুলে ধরেছেন।
জি-৭ পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সম্ভাব্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাবের কথাও বলেছেন। বিবৃতিতে জ্বালানি, সার এবং বাণিজ্যিক সরবরাহশৃঙ্খলে বিঘ্নের দিকে ইঙ্গিত করা হয়। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে নাগরিকদের ওপর প্রভাব ফেলা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ধাক্কা কমাতে সহযোগিতার গুরুত্বও উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ট্রানজিট রুটে সামুদ্রিক নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে স্থায়ীভাবে নিরাপদ এবং টোলমুক্ত নৌ চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার পরম প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে বিবৃতিতে বলা হয়, তা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) প্রস্তাব ২৮১৭ এবং সমুদ্র আইন অনুযায়ী হতে হবে।





