দা সিলভা বলেছেন, ‘মানবিক সংকট ঠেকাতে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সার ও সংশ্লিষ্ট কাঁচামাল বহনকারী জাহাজের চলাচলের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে।’
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে ইরানের দূত আলী বাহরেইনি গতকাল (শুক্রবার, ২৭ মার্চ) বলেন, ‘মানবিক সহায়তাসংক্রান্ত জাহাজের নিরাপদ চলাচল আরও দ্রুত করতে জাতিসংঘের অনুরোধে তেহরান সম্মতি দিয়েছে।’
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক বলেন, উদ্যোগটি সফল হলে তা সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক পথে দেশগুলোর মধ্যে আস্থা তৈরি করতে পারে এবং বিস্তৃত রাজনৈতিক সমঝোতার দিকে একটি মূল্যবান পদক্ষেপ হতে পারে।
আরও পড়ুন:
দুজারিক বলেন, ‘জাতিসংঘের এ ধরনের উদ্যোগের অভিজ্ঞতা আছে।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি ব্ল্যাক সি গ্রেইন ইনিশিয়েটিভের কথা উল্লেখ করেন, যার মাধ্যমে রাশিয়া সমর্থন প্রত্যাহার করার আগে ইউক্রেন থেকে কোটি কোটি মেট্রিক টন খাদ্যশস্য পরিবহন হয়েছিল।
দুজারিক আরও জানান, হরমুজ প্রণালিবিষয়ক টাস্কফোর্সে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (আংকটাড), আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) এবং আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্সের (আইসিসি) প্রতিনিধিরাও থাকবেন।





