উপসাগরে শিল্প স্থাপনায় পাল্টাপাল্টি হামলা; বাড়ছে যুদ্ধের তীব্রতা

বাহরাইনের মুহাররকে ইরানি হামলায় জ্বালানি ট্যাংকে আগুন লেগে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে
বাহরাইনের মুহাররকে ইরানি হামলায় জ্বালানি ট্যাংকে আগুন লেগে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে | ছবি: সংগৃহীত
0

বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অ্যালুমিনিয়াম কারখানাগুলোতে ইরানের হামলা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী বৈশ্বিক অ্যালুমিনিয়াম সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৯ শতাংশ এই অঞ্চল থেকে আসে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এদিকে ইরানের এই হামলার দিনেই ইসরাইল ইরানে দুটি ইস্পাত কারখানায় হামলা চালিয়েছে। এতে যুদ্ধজুড়ে যে ‘পাল্টাপাল্টি’ কৌশল দেখা যাচ্ছে, সেটিই আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই কৌশল অনুযায়ী, ইরান তার ভূখণ্ডে যে ধরনের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হচ্ছে, প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় আরব অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট স্বার্থকে লক্ষ্য করে একই ধরনের স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে।

ইরান যদি এভাবে হামলার জবাবে হামলা চালাতে থাকে, তা উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, ইরানের ভেতরে হামলার সংখ্যাও বাড়ছে এবং সংঘাতও আরও তীব্র হচ্ছে।

এ অবস্থায় জিসিসি অঞ্চলের মানুষের জন্য উদ্বেগের আরেকটি বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)–এর ঘোষণা—মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার মার্কিন সেনা পৌঁছেছে। ইউএসএস ট্রিপোলি জাহাজে করে নাবিক ও মেরিনসহ অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার ৫০০ সেনা এসেছে বলে বলা হয়েছে। ইরানে উত্তেজনা বাড়লে জিসিসি অঞ্চলেও উত্তেজনা বাড়বে—এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

এএম