মধ্যপ্রাচ্য সংকটে অস্থির বিশ্বের জ্বালানি থেকে শুরু করে শেয়ারবাজার। তবে মন্দার আঁচ লাগেনি ডিজিটাল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে। নতুন করে আশার আলো জাগাচ্ছে বিটকয়েন। ডিজিটাল মুদ্রা দিয়ে চলছে অস্ত্র কেনা-বেঁচাও।
এরমধ্যেই ডিজিটাল মুদ্রা বা ক্রিপ্টো চুরির শঙ্কা প্রকোট হচ্ছে। গুগলের মালিকানাধীন মার্কিন সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম ম্যান্ডিয়েন্টের বরাতে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সকালে তিন ঘণ্টার জন্য অ্যাক্সিওস নামে পরিচিত ওপেন-সোর্স সফটওয়্যারের এক ডেভেলপারের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছিলো উত্তর কোরিয়া একদল হ্যাকার।
আরও পড়ুন:
হাজার হাজার মার্কিন কোম্পানির ডিজিটাল মুদ্রা চুরির চেষ্টায় উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা প্রথমে অ্যাক্সিওস ডেভেলপারের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই হ্যাকিং অভিযানের পরবর্তী প্রভাব মূল্যায়ন করতে কতদিন লাগবে তাও অজানা।
পারমাণবিক অস্ত্রধারী ও নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত দেশ উত্তর কোরিয়ার আয়ের একটি অপরিহার্য উৎস হয়ে উঠেছে হ্যাকার বাহিনী। জাতিসংঘ এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোর দেয়া তথ্য বলছে, কয়েক বছরে ব্যাংক এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি সংস্থাগুলো থেকে শতশত কোটি ডলার চুরি করেছে উত্তর কোরিয়া। এমনকি এই ধরনের ডিজিটাল ডাকাতির মাধ্যমে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির প্রায় অর্ধেক খরচ বহন করা হয় বলেও দাবি যুক্তরাষ্ট্রের।
২০২৫ সালে বৈশ্বিক ক্রিপটো চুরির পরিমাণ ছিলো ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। যার মধ্যে একাই অন্তত ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ডিজিটাল সম্পদ চুরির রেকর্ড গড়ে উত্তর কোরিয়া। যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৫১ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ বিশ্বজুড়ে সংঘটিত সব ধরনের ক্রিপটো সেবা সংশ্লিষ্ট হ্যাকিংয়ের ৭৬ শতাংশের জন্য দেশটিকে দায়ী করা হয়। যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ।





