মেরিন ট্র্যাফিক ওয়েবসাইটে শত শত জাহাজ আটকে থাকার এই দৃশ্যটি এটি হরমুজ প্রণালির। যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে চলমান দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুট দিয়ে মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি জাহাজ চলাচল করেছে। যা ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটটির দ্রুত সমাধানের আশা ম্লান করে দিয়েছে।
বাজার গবেষণা সংস্থা কেপলারের দেয়া তথ্য বলছে, বুধবার মাত্র পাঁচটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। যা আগের দিনের ১১টির তুলনায় কম। বৃহস্পতিবার সাতটি জাহাজ চলাচল করেছে। লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধ না করায় প্রণালিটি কার্যত অচল করে রেখেছে ইরান। যার কারণে ৩ শতাধিক তেলবাহী ট্যাংকারসহ ৬০০টিরও বেশি জাহাজ এখনও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে আছে।
আরও পড়ুন:
এরইমধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১৫টি জাহাজ চলাচল করতে দেবে বলে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর শর্তও দিয়েছে ইরান। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা তাস-এর প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে এ তথ্য। ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার আগে সাধারণত ১২০-১৪০টি জাহাজ চলাচল করত। সরবরাহ হতো বিশ্বর মোট জ্বালানি চাহিদার ২০ শতাংশ।
যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর তেলের দাম ব্যাপকভাবে কমে গেলেও, হরমুজ প্রণালি ইস্যু অমীমাংসিত থাকায় আবারও ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানির দাম। শুক্রবার ব্যারেল প্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছাড়িয়েছে ৯৬ ডলার।
এ অবস্থায় মার্কিন চাপের মুখে রয়েছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। ইরানের বিরুদ্ধে হওয়া যুদ্ধে কোনো ভূমিকা না থাকায়; তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো সহায়তা প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্যও করেছেন ট্রাম্প। দিয়েছেন গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকিও। এমন পরিস্থিতিতে ন্যাটো প্রধান মার্ক রুট জানালেন, প্রয়োজন হলে হরমুজ প্রণালীতে অভিযানের জন্য ইচ্ছুক ন্যাটো।





