এতে উপসাগরে আটকে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এখন তাদের হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের জন্য যেমন ইরানের অনুমতি নিতে হচ্ছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতিও লাগছে।
গতকাল (সোমবার, ১৩ এপ্রিল) রাতে আরেকটি চীনা জাহাজ, এলপিস, ইরানি তেল বহন করে ওমান উপসাগরে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে ছিল। এটি যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশে ছিল কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে আগামী কয়েক ঘণ্টায় কী ঘটেছে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
এখানে উত্তেজনা বাড়ার বাস্তব ঝুঁকি রয়েছে। কারণ, যদি ইরানি জাহাজ থামানো হয়, ইরানি তেল আটকানো হয়, তাহলে ইরানও হয়তো উপসাগর থেকে হরমুজ প্রণালিতে ঢুকতে চাওয়া অন্য জাহাজগুলো থামাতে পারে।
আরও পড়ুন:
উপসাগরীয় দেশগুলো ধারাবাহিকভাবে বলে আসছে, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জলসীমা। তারা জ্বালানির অবাধ প্রবাহ চায়। কেউই চায় না পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হোক এবং আবার সংঘাত শুরু হোক।
এছাড়া ইরানের ইয়েমেনভিত্তিক মিত্র হুতির কথাও মনে রাখতে হবে। তাই উত্তেজনা বাড়লে বাব আল-মন্দেবও বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ১২ শতাংশ প্রভাবিত হবে। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
বিশ্লেষকরা ধারণা করছে, পুরো অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আনতে সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আরও অনেক কূটনৈতিক উদ্যোগ দেখা যাবে।





