ট্রাম্পের এই অস্পষ্ট অবস্থান ও বারবার সময়সীমা পরিবর্তন নিয়ে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
বদলে যাওয়া সময়সীমা
যুদ্ধের শুরুর দিকে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, এটি মাত্র কয়েক দিনের ব্যাপার। এরপর তিনি বলেছিলেন এটি কয়েক সপ্তাহ, বড়জোর তিন সপ্তাহ স্থায়ী হবে। সেই সময় পার হওয়ার পর তিনি পাঁচ সপ্তাহের কথা বলেন। আর এখন গত কয়েক দিন ধরে তিনি নিয়মিত বলছেন, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে। কিন্তু এই ‘শিগগিরই’ আসলে কবে, তা নিয়ে কোনো পরিষ্কার ধারণা নেই।
রণকৌশল নিয়ে সংশয়
ট্রাম্পের এই অসংলগ্ন বক্তব্যের কারণে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, আদৌ কি যুদ্ধের শুরু থেকে তাঁর কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বা পরিকল্পনা ছিল? বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলছেন, এই সংঘাতের শেষ কোথায় বা এর ‘এন্ডগেম’ কী হতে পারে, তা নিয়ে কি যুদ্ধ শুরুর আগে কোনো চিন্তাভাবনা করা হয়েছিল? মার্কিন জনগণের একটি বড় অংশ এখন জানতে চাইছে—কীভাবে একটি যুদ্ধ শেষ করতে হয় বা এর থেকে বেরিয়ে আসার পথ কী, তা না জেনেই কেন এমন একটি বিধ্বংসী যুদ্ধ শুরু করা হলো?
অনিশ্চয়তার মুখে আলোচনার পথ
বর্তমানে ট্রাম্প আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার একটি পথ তৈরির চেষ্টা করছেন। তিনি বারবার দাবি করছেন যে শান্তি আলোচনা সফল হবেই। যদিও মাঠপর্যায়ের চিত্র এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি কড়াকড়ি এই দাবির পক্ষে খুব একটা জোরালো প্রমাণ দিচ্ছে না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, একদিকে ইরানকে ‘উড়িয়ে দেয়ার’ হুমকি এবং অন্যদিকে আলোচনার সফলতার দাবি—ট্রাম্পের এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান মধ্যপ্রাচ্য সংকটকে আরও দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল করে তুলতে পারে।





