প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, এ সফরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে তার মন্তব্যগুলো আন্তর্জাতিক মহলে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে।
ইসলামাবাদ সফরকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ হিসেবে অভিহিত করে আরাঘচি জানান, পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অত্যন্ত কার্যকর আলোচনা হয়েছে।
অতীত ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করার পাশাপাশি কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু হতে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
ওমান সফরের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইরান ও ওমান—উভয় দেশই এ প্রণালীর উপকূলবর্তী রাষ্ট্র, তাই পারস্পরিক আলোচনা অপরিহার্য। বর্তমানে প্রণালির মধ্য দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল একটি বৈশ্বিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। উভয় দেশের অভিন্ন স্বার্থরক্ষা এবং যেকোনো পদক্ষেপের ক্ষেত্রে সমন্বয় বজায় রাখতে এই সংলাপ জরুরি।’
আরাঘচি উল্লেখ করেন যে, ওমান ও ইরানের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে ‘উচ্চ পর্যায়ের ঐকমত্য’ রয়েছে। দুই দেশই সম্মত হয়েছে যে, এ আলোচনাগুলো এখন বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে চালিয়ে নেয়া হবে।





