যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত, বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল পরিবহণ হওয়া হরমুজ প্রণালিকেই কৌশলগত হাতিয়ার করে ইরান। জবাবে নৌ অবরোধ করে যুক্তরাষ্ট্র। আর এই মুখোমুখি অবস্থানে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে জ্বালানি তেলের পরিবহন, যার প্রভাব এখন পুরো বিশ্বে।
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনকেই তাই ভুগতে হচ্ছে আরও বেশি। দেশব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, বিপর্যস্ত পরিবহন ব্যবস্থা এবং বাণিজ্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় দেশটির অর্থনৈতিক কাঠামো রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
আদেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল আল-শুহাইবি বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইয়েমেনে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। বেড়ে গেছে পরিবহন খরচও। সমুদ্রে ঝুঁকি বৃদ্ধি, জাহাজ চলাচল এবং বীমার খরচের কারণে আন্তর্জাতিক বিমাকারীদের সামুদ্রিক বীমার প্রিমিয়ামও বেড়েছে।
এদিকে, আমদানি ও বৈদেশিক সাহায্যের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হওয়ায় বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে ইয়েমেন। তবে পাহাড়সম এই অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতে এরিমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ইয়েমেন সরকার। অবশ্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শিগগিরই শেষ না হলে এসব উদ্যোগ কার্যত অচল হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা দেশটির।





