সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় আবুধাবিকে সহায়তার অংশ হিসেবে ইসরাইল তাদের এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পাঠিয়েছে। স্বল্পপাল্লার রকেট ও ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম এই লেজার ব্যবস্থাটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রথম মোতায়েন করেছিল ইসরাইল। এছাড়া ড্রোন শনাক্ত করার জন্য ২০ কিলোমিটার পাল্লার উন্নত ‘স্পেকট্রো’ সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমও আমিরাতকে দেয়া হয়েছে।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছিল, ইসরাইল আমিরাতে তাদের বিখ্যাত ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও পাঠিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশে ব্যাটারি ও ইন্টারসেপ্টরসহ বেশ কিছু প্রশিক্ষিত সেনাও সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, আমিরাতের মাটিতে ইসরাইলি সেনার সংখ্যা ‘একেবারে কম নয়’। যুদ্ধের সময় ইসরাইল আমিরাতকে নিয়মিত ‘রিয়েল টাইম’ গোয়েন্দা তথ্য দিয়েও সহায়তা করেছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে বোমাবর্ষণ শুরু করলে তেহরানও পাল্টা রকেট ও ড্রোন হামলা চালায়। এ সময় ইরানের বড় লক্ষ্যবস্তু ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির ওপর প্রায় ৫৫০টি ব্যালেস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টির বেশি ড্রোন হামলা চালানো হয়। যদিও এর অধিকাংশই প্রতিহত করা হয়েছে, তবে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আবুধাবি ও দুবাইয়ের বুর্জ আল আরব, পাম জুমেইরাহ ও দুবাই বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকে ইসরাইল ও আমিরাতের মধ্যে সামরিক ও কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। ইরান সরকারের দাবি, এই যুদ্ধে আমিরাত সরাসরি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে কাজ করছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো কূটনৈতিক সমাধান আসেনি।





