নির্বাচনে প্রায় ৫ হাজার স্থানীয় কাউন্সিল আসন, ইংল্যান্ডের বেশ কিছু মেয়র পদ এবং স্কটিশ ও ওয়েলশ পার্লামেন্টের আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। আজ সকাল ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে স্থানীয় সময় রাত ১০টা পর্যন্ত। শুক্রবারের মধ্যেই অধিকাংশ ফলাফল পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার স্ত্রী ভিক্টোরিয়া স্টারমারকে সঙ্গে নিয়ে সকালে ওয়েস্টমিনস্টার চ্যাপেলে ভোট দেন। তবে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই স্টারমারের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে জীবনযাত্রার ব্যয় চরম আকার ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনের পদচ্যুতি নিয়ে সৃষ্ট কেলেঙ্কারি সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছে।
জনমত জরিপ অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থি ও বামপন্থি দলগুলো ভালো ফল করতে পারে। এতে লেবার ও কনজারভেটিভ পার্টির দীর্ঘদিনের দ্বিদলীয় আধিপত্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার সংকেত দিচ্ছে। বিশেষ করে গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কি এবং রিফর্ম ইউকের নাইজেল ফারাজের জনসমর্থন বেড়েছে বলে আভাস পাওয়া গেছে।
নির্বাচনের আগে এক নিবন্ধে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার পপুলিস্ট বা জনতোষণবাদী রাজনীতিবিদের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্ব যে পরিস্থিতির মুখোমুখি, তার সমাধান কেবল সহজ কিছু আশ্বাস দিয়ে সম্ভব নয়। তেমন রাজনীতি দেশকে আরও দুর্বল বা দেউলিয়া করে দেবে।





