গত মার্চে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) উদ্যোগে ৩০টি দেশ মিলে বিশ্ববাজারে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ তারই অংশ। ওয়াশিংটন সব মিলিয়ে তাদের জরুরি মজুত থেকে ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার অঙ্গীকার করেছে। মার্কিন জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত দেশটি প্রায় সাড়ে ৩ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে সরবরাহ করেছে।
ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তেহরান। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ২০ শতাংশ এই পথ দিয়েই সরবরাহ করা হতো। এই নৌপথ বন্ধ হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ৪৫ শতাংশ বা ব্যারেলপ্রতি ৩০ ডলার পর্যন্ত বেড়েছে, যার ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো তেল রপ্তানির বিকল্প পথ খুঁজে পেলেও প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) হলো বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি তেলের মজুত, যা ১৯৭৫ সাল থেকে যেকোনো বড় সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে।





