গত জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এক সামরিক অভিযানে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস গ্রেপ্তার হন। বিচার বিভাগের ওই কর্মকর্তা জানান, ৬৩ বছর বয়সী মাদুরো যখন আটক হন, ফ্লোরিডায় তখন থেকেই এই তদন্ত সক্রিয় ছিল। অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, এই তদন্তে মূলত মাদুরোর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মাদুরোর বিরুদ্ধে আগে থেকেই ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে মাদক-সন্ত্রাসবাদ ও মাদক পাচারের ষড়যন্ত্রসহ বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং বর্তমানে ব্রুকলিনের একটি কারাগারে বন্দি থেকে বিচারের অপেক্ষায় আছেন। ২০২০ সালে নিউ ইয়র্ক আদালতে করা সেই মামলাটিকেই মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার সামরিক অভিযানের আইনি ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিল ওয়াশিংটন।
বিশ্লেষকদের মতে, নিউ ইয়র্কের মামলায় কোনো আইনি জটিলতা তৈরি হলে ফ্লোরিডার এই নতুন তদন্ত বিচার বিভাগের জন্য বিকল্প পথ হিসেবে কাজ করবে। গত মার্চ মাসেই ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, মাদুরোকে আরও নতুন নতুন অভিযোগের মুখোমুখি হতে হবে। সোমবারই মিয়ামির ওই অ্যাটর্নি অফিস মাদুরোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী অ্যালেক্স সাবের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ গঠন করেছে। বুধবার সাবেক কিউবান প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ আনার কথা রয়েছে।
নিকোলাস মাদুরোর উত্তরসূরি ও ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সরকার এখন মার্কিন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে। মাদুরোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী অ্যালেক্স সাবের গ্রেপ্তার ও প্রত্যর্পণের বিষয়টি তারই ইঙ্গিত দেয়। তবে নতুন এই তদন্তের বিষয়ে মাদুরোর আইনজীবী বা মার্কিন বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।





